সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত দুগ্ধ খামার থেকে সরাসরি সংগৃহীত দুধের ক্রিম দিয়ে তৈরি আমাদের এই গাওয়া ঘি। কোনো শর্টকাট পদ্ধতি নয়, বরং সম্পূর্ণ ঐতিহ্যবাহী উপায়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে প্রস্তুত করা হয় এই প্রিমিয়াম ঘি।
আমাদের ঘি তৈরির বিশেষ প্রক্রিয়া:
সরাসরি সংগ্রহ:আমরা নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সিরাজগঞ্জের স্থানীয় খামারিদের থেকে সরাসরি দুধ সংগ্রহ করি।
ক্রিম সেপারেশন:আধুনিক মেশিনের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে দুধ থেকে ক্রিম আলাদা করা হয়।
কাঠের আগুনের জ্বাল:সংগৃহীত ক্রিম বড় তাবা বা কড়াইয়ে ঢেলেটানা ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা কাঠের আগুনেজ্বাল দেওয়া হয়। কাঠের আগুনের মৃদু আঁচ ঘি-তে নিয়ে আসে সেই আদি ও অকৃত্রিম সোঁদা সুঘ্রাণ।
প্রাকৃতিক দানা:ঘি তৈরির পর তা ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে বড় পাতিলে রাখা হয়। এরপর কোনো কৃত্রিম পদ্ধতি ছাড়াই বেশ কয়েকদিনঠান্ডা জায়গায়রেখে দেওয়া হয়, যাতে ঘি প্রাকৃতিকভাবে জমাট বেঁধে চমৎকার দানাদার হয়ে ওঠে।
কেন আমাদের গাওয়া ঘি আলাদা? ১.১০০% খাঁটি ও নিরাপদ:এতে নেই কোনো কৃত্রিম রং, ফ্লেভার বা প্রিজারভেটিভ। ২.সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্য:দুগ্ধ শিল্পের প্রাণকেন্দ্র সিরাজগঞ্জের খাঁটি দুধের স্বাদ ও পুষ্টি এতে বিদ্যমান। ৩.দানাদার টেক্সচার:প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা করার ফলে এটি বাজারের সাধারণ ঘি-এর তুলনায় বেশি দানাদার। ৪.অতুলনীয় স্বাদ ও ঘ্রাণ:পোলাও, বিরিয়ানি কিংবা গরম ভাতে সিরাজগঞ্জের ঘি-এর এক চামচই যথেষ্ট পুরো খাবারের আমেজ বদলে দিতে।
উপলভ্য ওজন (Available Weights): আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন আমাদের তিনটি ভেরিয়েন্ট:
২৫০ গ্রাম(ট্রায়াল প্যাক)
৫০০ গ্রাম(ফ্যামিলি প্যাক)
১ কেজি(প্রিমিয়াম ভ্যালু প্যাক)
পণ্য বিবরণী:
উৎপাদনস্থল:সিরাজগঞ্জ।
প্রস্তুত পদ্ধতি:কাঠের আগুনের জ্বাল (৩-৪ ঘণ্টা)।
ধরন:দানাদার গাওয়া ঘি।
সংরক্ষণ:সরাসরি রোদে না রেখে ঠান্ডা ও শুষ্ক জায়গায় কাঁচের পাত্রে রাখুন।